Home>সকল সংবাদ>প্রবাসী>আমেরিকা>নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশী-আমেরিকান ঐতিহ্যের উৎসব’ ৫ আগস্ট
আমেরিকা সকল সংবাদ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশী-আমেরিকান ঐতিহ্যের উৎসব’ ৫ আগস্ট

প্রবাসে বাঙালী ঐতিহ্যের ধারা বিকশিত করা সহ বাংলাদেশি প্রজন্ম ও মূলধারায় শীয় সংস্কৃতি ও পণ্যকে তুলে ধরার প্রয়াসে নিউইয়র্কে আগামী ৫ আগস্ট রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জমজমাট ‘বাংলাদেশী-আমেরিকান ঐতিহ্যের উৎসব’। বাঙালী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসের জেরেগা এভিনিউ এবং ওয়াটারবারী এভিনিউ’র রাস্তার ওপর বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল দিনব্যাপি এ ঐতিহ্যের উৎসবের আয়োজন করেছে। উৎসবের টাইটেল স্পন্সর মার্কস হোম কেয়ার। এদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এ পথ মেলা। উৎসব স্থলে স্থাপিত বিশাল মঞ্চে দেশ ও প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করবেন। এ ঐতিহ্যের উৎসবের বিস্তারিত কর্মসূচি তুলে ধরতে ব্রঙ্কসের স্টার্লিং বাংলাবাজার এলাকায় গত ২৫ জুলাই বুধবার আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির প্রেসিডেন্ট আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার, সেক্রেটারী নজরুল হক, উৎসব কমিটির আহ্বায়ক আবদুর রহিম বাদশা, উপদেষ্টা আলমাস আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার চৌধুরী, প্রধান সমন্বয়কারী এ. ইসলাম মামুন, জনপ্রিয় শিল্পী মামুন প্রমুখ। এসময় অন্যাদেও মধ্যে উপস্তিত ছিলেন খলিল বিরিয়ানী হাউজের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ খলিলুর রহমান, নজরুল ভূইয়া, জাকির চৌধুরী, আবদুল মুহিত প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, বাংলাদেশী-আমেরিকান ঐতিহ্যের উৎসববে থাকবে বাংলাদেশের তারকা শিল্পীদের লাইভ স্টেজ পারফরমেন্স। এছাড়া বাংলাদেশের বন্যার্তদের সাহায্যার্থে মেলায় রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় র‌্যাফেল ড্র। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রদান করা হবে এওয়ার্ড। উৎসব মঞ্চের দু’পাশে স্থাপিত হবে হল অব ফেইম নামে কয়েকজন বাংলাদেশী-আমেরিকান কৃতি সন্তানকে তুলে ধরার বর্ণিল উপস্থাপনা। মেলায় থাকবে বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী মজাদার খাবার, পোশাক, শাড়ী, গয়না সহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রীর স্টল। শিশুদের জন্য থাকবে আকর্ষণীয় বিনোদন। মূলধারার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। উৎসবে চমৎকার একটি স্মারক সংকলনও প্রকাশিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ এন মজুমদার ব্রঙ্কসের স্টার্লিং বাংলাবাজার এলাকায় ওলমাস্টেড এভিনিউ এবং ইউনিয়ন পোর্ট রোড এর কর্ণারের ত্রিভুজ আকারের স্থানটিকে বাংলাবাজার চত্ত্বর হিসেবে নামকরণের প্রস্তাব করেন।