Home>সকল সংবাদ>প্রবাসী>ইউরোপ>অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় ইইউ
ইউরোপ তাজা প্রতিবেদন

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় ইইউ

সব দলের অংশগ্রহণে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় ইউরোপের ২৮টি দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বাংলাদেশে ইইউর প্রতিনিধি দলের প্রধান ও রাষ্ট্রদূত রেঞ্চা টিয়েরিংক আজ ২৬ জুলাই ঢাকায় তাঁর নিজ দপ্তরে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে ইইউর সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। ছোট পরিসরে ও স্বল্পমেয়াদি কারিগরি পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোরও সিদ্ধান্ত হতে পারে।

রাষ্ট্রদূত রেঞ্চা টিয়েরিংক কথা বলেছেন ইউরোপ থেকে অনিয়মিত বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া, রোহিঙ্গা সংকট, মানবাধিকার ও ঢাকায় তাঁর জীবনযাত্রা নিয়েও।

শীর্ষ খবর ডটকমের পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো :

বাংলাদেশ-ইইউ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ের সদ্য সমাপ্ত বৈঠকটি কেমন হলো? আপনারা অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : বৈঠক খুবই ভালো হয়েছে। ব্রাসেলস থেকে আমাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসেছিলেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব তাঁর সঙ্গে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেছেন। বৈঠকে আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের পর ইইউর ব্যবস্থাপনা পরিচালককেও সাংবাদিকরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। এ বিষয়ে আমরা আমাদের অংশীদার দেশগুলোর ক্ষেত্রে যা বলি তা হলো-আমরা আশা করি, নির্বাচন ‘ক্রেডিবল’ (বিশ্বাসযোগ্য), ‘ইনক্লুসিভ’ (অংশগ্রহণমূলক) ও ‘ট্রান্সপারেন্ট’ (স্বচ্ছ) হবে। সাধারণত আমরা ‘ফ্রি’ (অবাধ) ও ‘ফেয়ার’ (সুষ্ঠু) শব্দগুলো ব্যবহার করি না। কারণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন শব্দগুলো নিজস্ব ভাবনা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করার সুযোগ থাকে। তবে আমরা বিশ্বাসযোগ্যতা, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছতা দেখতে চাই। কয়েক সপ্তাহ আগে আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছি। আর তিনিও আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে এটি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। আমার জানি যে বাংলাদেশের এটি করার কারিগরি সক্ষমতাও আছে। নির্বাচন কমিশনসহ এ সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলো আছে। মূল বার্তাটি হলো কীভাবে এটি হচ্ছে তা দেখতে আমরা খুবই আগ্রহী। আমরা স্থানীয় নির্বাচনগুলো দেখছি। এরপর বড় নির্বাচন আসছে। আমরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে বিষয়টি দেখছি।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে বিশেষ করে বড় দলগুলোকে নির্বাচনে আসতে হবে। নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে বিএনপির কিছু দাবি আছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল সংবিধান অনুসরণ করার কথা বলছে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য কোনো পরামর্শ আছে?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : আমার মনে হয়, এটি বেশ কঠিন। রাজনৈতিক দলগুলোকে পরামর্শ দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। কারণ এটি বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিষয়।

আপনারা কি তাহলে এ দেশের সংবিধানে বর্ণিত প্রক্রিয়াকেই সমর্থন করছেন?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : হ্যাঁ। ইউরোপিয়ান এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্যাসিফিকবিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক গুনার ভিগ্যান্ড অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেছেন যে ইইউ বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকেই বিষয়টি দেখছে। এতে আমাদের সীমা ছাড়ানো হবে না। আমরা বলব না যে আপনারা আপনাদের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ভুলে গিয়ে অন্য কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন। আমরা আশা করি, সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই সব দলের সমান উপস্থিতি থাকবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন, নিবন্ধিত সব ভোটারের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেখতে চাই। এটি ইউরোপেও আমরা দেখতে চাই। এটিই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : এই সিদ্ধান্ত ইইউর অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ে হয়ে থাকে। ইইউর হাইরিপ্রেজেন্টেটিভ ফেদেরিকা মগেরিনি নিজেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

গত বার এ প্রক্রিয়ায় আপনারা অনুপস্থিত ছিলেন।

ইইউ রাষ্ট্রদূত : হ্যাঁ। তবে আমরা পুরোপুরি অনুপস্থিত ছিলাম না। কিছু কারণে গতবার পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত বদলাতে, বাতিল করতে হয়েছিল। আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়াটি বেশ সময়সাপেক্ষ। আমরা চার মাসের জন্য কোর টিম পাঠিয়ে থাকি। নির্বাচনের দুমাস আগে ও পরে তারা কাজ করে। স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে পর্যবেক্ষণ করা হয়। কোর টিম নির্বাচনী প্রক্রিয়া, মানবাধিকার, গণমাধ্যম বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গড়া হয়। ওই টিম সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে আমরা ১০০ থেকে ১২০ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে পরামর্শ দেওয়া। এটি বিশাল একটি কাজ, ব্যয়বহুলও বটে। সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। আমরা গভীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি। আমরা সব জায়গায় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করতে পারব না। কারণ আমাদের এত বাজেট নেই। যদি পুরোদস্তুর নির্বাচনী মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নাও হয় তবে এর কারণ বাংলাদেশ পরিস্থিতি নয়। বাজেটের কারণেই এমন সিদ্ধান্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা স্বল্পমেয়াদি মিশন পাঠাতে পারি। সেই মিশন হতে পারে কারিগরি। তারা হয়ত বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করবে না।

ইউরোপ থেকে অনিয়মিত অভিবাসীদের ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ইইউর সঙ্গে ‘স্ট্যান্ডার্ড অপরারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি)’ সই করেছে। ইইউ থেকে অনিয়মিত অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত কতটা কঠোর?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : অভিবাসন এখন ইইউর অন্যতম প্রধান ইস্যু। গত কয়েক বছরে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিভিন্ন পথে অনেক অভিবাসী ইউরোপে ঢুকেছে। তাই এটি অনেক বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। অনিয়মিত অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় ফিরে আসতেই উৎসাহিত করা হয়। এজন্য আইওএমের সঙ্গে অংশীদারির ভিত্তিতে কাজ করা হয়। এটিই আমাদের পছন্দের প্রক্রিয়া। এমন অনেক অনিয়মিত অভিবাসী আছেন যারা ফিরতে চান না। তাদের ফেরাতে বাংলাদেশের সঙ্গে এসওপি ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সহযোগিতাও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

আপনাদের হাইরিপ্রেজেন্টেটিভ গত নভেম্বর মাসে এ দেশে এসেছিলেন। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ইইউ কী করছে?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : এর সমাধান কঠিন। বিষয়টি ইইউর হাতে নেই। আমার মনে হয়, মিয়ানমারেরই এ ক্ষেত্রে উদ্যোগী হওয়া উচিত। নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সেখানে এখনও তৈরি হয়নি। এটিই মূল বিষয়। এই সংকট মোকাবিলায় আমরা বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছি। প্রচুর অর্থ দরকার। ইইউ বা একক কোনো দেশ এটি পারবে না। এখন এ বিষয়ে সবার কাজ করা উচিত। মানবিক সহায়তা হিসেবে আমরা এরই মধ্যে বাংলাদেশকে ৮৭ মিলিয়ন (৮ কোটি ৭০ লাখ) ইউরো সহায়তা দিচ্ছি।

 জবাবদিহিতার ব্যাপারে?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ কীভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করতে চাচ্ছে সে দিকে আমরা দৃষ্টি রাখছি। আমার মনে হয়, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের (আইসিসি) অধীনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। মিয়ানমার রোম স্ট্যাটিউটে সই করেনি। তাই মিয়ানমার কখনো আইসিসিকে সহযোগিতা করবে না। এটি আইনি বিষয়। এরপরও যতটুকু ধারণা করতে পারি, এটি অত্যন্ত জটিল বিষয়। আইসিসি যদি ‘সুয়োমোটো’ জারি করে তবে এটি সম্ভব। আরেকটি উপায় হলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ থেকে একটি কাঠামো তৈরি করা, যেমনটি সিরিয়ার ক্ষেত্রে করা হয়েছে-ইন্টারন্যাশনাল ইমপার্শিয়াল অ্যান্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট মেকানিজম (আইআইআইএম)। সিরিয়া মডেল মিয়ানমারের ক্ষেত্রেও অনুসরণ করা যেতে পারে। এটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন প্রস্তাব। আমি জানি না কোনটি সেরা ব্যবস্থা।

 ইইউ এ বিষয়ে কী করতে পারে?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া আমাদের কাজ নয়। আমরা জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যবেণ করছি। নিরাপত্তা পরিষদের দিকেও নজর রাখছি। এটি অত্যন্ত জটিল বিষয়। অনেকগুলো কাঠামো আছে। আইসিসি, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন, মিয়ানমারবিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার ইয়াংহি লি। ইয়াংহি লি মিয়ানমারের জবাবদিহিতার বিষয়ে জোর দিচ্ছেন। আমাদের নিউ ইয়র্ক ও জেনেভার সহকর্মীরা এ বিষয়ে কাজ করছেন।

ব্রাসেলস কী করতে পারে? নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : আমরা এরইমধ্যে এটি করেছি। গত ২৬ এপ্রিল আমরা মিয়ানমারের কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। আমরা মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ছয়-সাত জনকে চিহ্নিত করেছি। ইইউয়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছেন তারা। সামরিক প্রশিক্ষণ স্থগিত করা হয়েছে। মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রে এটি প্রথম পদক্ষেপ। সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নেওয়া হলে তুলনামূলক ভালো ফল আসবে। কারণ একটি দেশের ওপর বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার ফল সব সময় দেশটির জনগণের ওপর পড়ে। এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারও শাস্তি পায়। অং সান সু চিকে নিয়ে এখনও আশা আছে আমাদের। এখানে প্রধানমন্ত্রীও উপলব্ধি করেন যে সু চি ও তাঁর সরকারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ছিন্ন করা ঠিক হবে না। ব্যবস্থা সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধেই নেওয়া উচিত। আর এ বিষয়েই আমরা এখন কাজ করছি।

কাঠমান্ডুতে ছিলেন, এখন ঢাকায়। ঢাকার জীবন কেমন?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : কাঠমান্ডুতে আমার জীবন আরো অনেক স্বাধীন ছিল। আমি হেঁটে অফিসে যেতাম, সাইকেল চালাতাম। আমাদের চলাফেরায়ও অনেক স্বাধীনতা ছিল। ঢাকা নিয়ে আমার প্রথম উপলব্ধি হলো আমি এখানে ‘আরমার্ড কারে’ অনেকটাই বন্দি। আমি রাস্তায় হাঁটতে পারি না।

এটা তো ইইউই আরোপ করেছে?

ইইউ রাষ্ট্রদূত : এটি হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো ঝুঁকি বোধ করি না। তবে এগুলো নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়, যা আমাদের মেনে চলতে হয়।

কিন্তু এটা তো বৈশ্বিক সমস্যা।

ইইউ রাষ্ট্রদূত : হ্যাঁ। এটি সত্য। আপনারা জানেন, ইউরোপে কত হামলা হয়েছে। আমার মনে হয়, ইউরোপে ভুল সময়ে ভুল স্থানে থাকলে আমরা হামলার শিকার হতে পারি। কিন্তু হলি আর্টিজান হামলার পর যে উপলব্ধি হয়েছে তা হলো পশ্চিমারা বিশেষভাবে এখানে হামলার ল্য হয়েছিল। আর এটিই অনেক বড় বিষয়। আমি রাস্তায় হাঁটছি, কেউ যদি ইউরোপীয়দের ওপর হামলা করতে চায় তবে আমি আক্রান্ত হতে পারি। এখন বারিধারা ও গুলশানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন আছে। আমরাও বলেছি, অন্তত লোকজনকে আশেপাশে হাঁটাচলা করতে দিন। আপনি আপনার অফিস, বাড়ি বা গাড়িতে সব সময় বন্দি থাকতে পারেন না। কয়েক মাস আগে কয়েকজন রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে আমি পুরান ঢাকায় ঘুরেছি। আমরা সারা দিন হেঁটেছি। আমাদের সঙ্গে একজন সশস্ত্র পুলিশ ছিল। লোকজন এত মিশুক! বিদেশিরা এসেছে এবং তাদের শহর দেখছে-এটি তারা খুব আগ্রহ নিয়ে দেখছিল। তারা এত অতিথিপরায়ণ! এটি চমৎকার এক অভিজ্ঞতা। আমি আরো বেশি বেশি এমনটি করতে চাই। এটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক শহর।

সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ইইউ রাষ্ট্রদূত : আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।