শিরোনাম
  • রাজধানীতে গুলি করে আড়াই লাখ টাকা ছিনতাই

  • সিলেটে জাল টাকা ও মেশিনসহ ৩ জন আটক

  • শৈলকূপায় গলিত লাশ উদ্ধার
  • বাসের মধ্যে প্রসব, সহৃদয় চালক নিয়ে গেলেন হাসপাতালে
  • মুন্সীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের স্ত্রীর লাশ উদ্ধার
  • টাঙ্গাইলে নারী এনজিও কর্মীকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই
চিরসত্য
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনÑ “যখন তোমরা কাপড় পরিধান করবে এবং যখন উযু করবে, তখন তা ডান দিক থেকে শুরু করবে।” (আবু দাউদ)
সাম্প্রতিক
প্রবন্ধ
ক্ষমতাসীনদের দলন পেষনে দেশের গণতন্ত্র শয্যাশায়ী

 ক্ষমতাসীনদের নিষ্ঠুর দলন পেষনে দেশের গণতন্ত্র আজ শয্যাশায়ী ও মরণাপন্ন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সরকারকে প্রতিহত করতে না পারলে সমাজে সভ্যতা, সুস্থতা বিনষ্ট এবং নাগরিক স্বাধীনতা আরো বিপন্ন হবে। গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন ও যুবদলের সহসভাপতি আবদুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশে এখন একদলীয় ব্যক্তিশাসনের অমানবিক উন্মাদলীলা চলছে। নিষ্ঠুর দলন পেষনে গোটা রাষ্ট্রটিকে দখলে নিয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। তাই এই অবৈধ সরকার গণতান্ত্রিক কর্মসূচি দমন করতে এরা শিকারী বাঘিনীর মতো ওঁত পেতে থেকে বিরোধী দলের মিটিং মিছিলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
‘প্রধানমন্ত্রী একজন পাকা খেলোয়াড়, তিনি মাঠে থাকলে কেউ গোল করতে পারে না’ এক মন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, তিনি ঠিকই বলেছেন, সরকারের অনাচার, নিদারুণ ব্যর্থতা, কুপমন্ডুকতার আবর্তে রক্তরক্তির খেলায় প্রধানমন্ত্রী এতোটাই পারঙ্গম যে, দেশে-বিদেশে তার জুড়ি মেলা ভার। ক্ষমতাসীন হওয়ার আগে তাদের এক রকমের চেহারা থাকে, আবার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর মুখোশের আড়ালে তাদের আরেক রকমের চেহারা বের হয়। তিনি বলেন, হত্যা, গুম, খুন, গুপ্তহত্যা, অপহরণ, উৎপীড়ণ, নির্যাতনে বিরোধী দলশূন্য করে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন মাঠে প্রধানমন্ত্রী ভালোই খেলে যেতে পারবেন।
দুদক এখন সরকারের বিশ্বাসভাজন ধোলাই লন্ড্রিতে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ক্ষমতাসীন মহলে এতো কালো বিড়াল থাকার পরেও দুদক বিষন্ন ভালুকের মতো চুপ করে থাকে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ চমকানোর গর্জনে এই অহংকারী মিথ্যাবাদী, কুরুচিপূর্ণ, ভর্ৎসনাপূর্ণ, অশ্রাব্য বক্তব্য প্রদানকারীদের প্রতিহত করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জররুরি। না হলে সমাজে সভ্যতা ও সুস্থতা বিনষ্ট হবে এবং নাগরিক স্বাধীনতা আরো বিপন্ন হয়ে পড়বে।

Back To Top