শিরোনাম
  • রাজধানীতে গুলি করে আড়াই লাখ টাকা ছিনতাই

  • সিলেটে জাল টাকা ও মেশিনসহ ৩ জন আটক

  • শৈলকূপায় গলিত লাশ উদ্ধার
  • বাসের মধ্যে প্রসব, সহৃদয় চালক নিয়ে গেলেন হাসপাতালে
  • মুন্সীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের স্ত্রীর লাশ উদ্ধার
  • টাঙ্গাইলে নারী এনজিও কর্মীকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই
চিরসত্য
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনÑ “পুরুষেরা মহিলাদের এবং মহিলারা পুরুষের পোশাক পরিধান করবে না। কেননা, এতে মহান আল্লাহার অভিশম্পাত বর্ধিত হয়।” (আবু দাউদ)
সাম্প্রতিক
প্রবন্ধ
বখাটের ভয়ে মেয়েটি স্কুলে যেতে পারবে না?

এসিড মেরে শরীর ঝলসে দেয়া হবে এক বখাটের এমন হুমকিতে বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে পিরোজপুর সদর উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর।
ওই ছাত্রীর অভিযোগ, ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার টোনা গ্রামের সবুজ হাওলাদার (১৭) নামে এক বখাটে তাকে বলে, 'তোকে তো পামু না। তয় তোরে এসিড মারমু।' এরপর থেকে সে ভয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে না। বাড়িতেও তাকে ভয়ে ভয়ে থাকতে হচ্ছে।
ওই ছাত্রীর বাবার অভিযোগ, বখাটে সবুজ প্রায় এক বছর ধরে তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এ ঘটনায় গত জুনে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সালিশ বৈঠক করে সবুজকে সতর্ক করে দেন। এতে সবুজ ক্ষিপ্ত হয়ে তার খড়ের গাদায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে মামলা করতে দেননি। তারপর সবুজ কিছু দিন উত্ত্যক্ত করা থেকে বিরত থাকে। সম্প্রতি আবার সে উত্ত্যক্ত করা শুরু করে এবং তার মেয়েকে এসিড মেরে শরীর ঝলসে দেয়ার হুমকি দেয়। এ কারণে মেয়ের বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।
ওই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনায়েত কবির জানান, 'ছাত্রীকে সবুজ অনেক দিন ধরে উত্ত্যক্ত করছে। ২৬ অক্টোবর থেকে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। সবুজের হুমকিতে সে ভয়ে বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। এ ঘটনার পর সবুজের বাবাকে নোটিশ পাঠিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে বলা হয়েছিল কিন্তু তিনি আসেননি।'

জামায়াত-শিবিরের লাগাতার হরতালে রাজধানীজুড়ে নাশকতা ও বোমাতঙ্ক বিরাজ করছে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, খোদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও এতে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব ও পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। রাজধানীজুড়ে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। ঢাকা মহানগর পুলিশ ও র‌্যাব সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান জানান, রোববার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে হরতাল সমর্থকরা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এতে রাস্তায় চলাচলরত সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নাশকতার প্রস্তুতিকালে এবং মিছিল থেকেও বেশ কিছু হরতাল সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা নাশকতামূলক ঘটনার পরিকল্পনার বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। নাশকতা প্রতিরোধে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া রাজধানীজুড়ে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি চালাতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতাদের রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে জামায়াত হরতালের ঘোষণা দেয়। হরতাল এখন লাগাতার হরতালে পরিণত হয়েছে। হরতালের সময়সীমা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাদের নাশকতামূলক তৎপরতা বেড়েছে। হরতালের প্রথম দিন রাজধানীতে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও এখন তা বাড়ছে। তারা রাজনৈতিক দলের নেতাদের বাসার সামনেও ককটেল হামলা চালাচ্ছে। গত কয়েক দিনে জামায়াত-শিবিরকর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এছাড়া যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে ব্যাপক নাশকতার পরিকল্পনার তথ্য পাওয়া গেছে। এই তথ্যের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার থেকে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কঠোর করা হয়েছে। নগরীর প্রতিটি রাস্তায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার ভোরের দিকে রাজধানী উত্তরার ৬ নাম্বার সেক্টর এলাকার একটি মেসে অভিযান চালিয়ে ১৫ জন শিবিরকর্মীকে আটক করে পুলিশ। ডিএমপি উত্তরা জোনের ডিসি ইকবাল হোসেন জানান, গ্রেপ্তারের পর তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তাদের নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা কাজ করে যাচ্ছিল। এ জন্য তারা কয়েকবার বৈঠক করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে গাফফার ও রহমান নামে দুজন শিবিরের 'সাথী' বলে জানায়। তাদের নেতৃত্বেই নাশকতামূলক হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। উত্তরার ৬ নাম্বার সেক্টরের ১২ নাম্বার রোডের শেষ মাথার বাড়িটিতে শিবিরকর্মীরা মেস বানিয়ে থাকতো। তাদের নাশকতার পরিকল্পনার বেশ কিছু তথ্য পুলিশ জানতে পেরেছে। নাশকতা চালাতে রাস্তায় নামার পর যেন ধরা না পড়ে সেই জন্য নেতারা বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছিল বলেও তারা জানায়।
সূত্র জানায়, রাজধানীর মগবাজার, মিরপুর, কমলাপুর, শাহজাহানপুর, ফকিরাপুল, খিলগাঁও, বাড্ডা, রামপুরা, পোস্তগোলা ও মোহাম্মদপুর এলাকায় শিবিরের বড় ঘাঁটি রয়েছে। তাই এসব এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জামায়াত ও শিবিরের এলাকাভিত্তিক নেতাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ইতিপূর্বে নাশকতার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেনকে গত মে মাসে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আরো বেশ কয়েকজন শিবির নেতাকে গ্রেপ্তারের পর রাজধানীতে চোরাগুপ্তা হামলা, বোমা বিস্ফোরণ, অগি্নসংযোগের মতো নাশকতামূলক ঘটনা হ্রাস পায়। এবারো তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত হরতাল চলাকালে রাজধানীতে নাশকতা চালানোর চেষ্টা করছে বলে র‌্যাবের গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। এজন্য তারা ককটেল, হাতবোমা, পেট্রলবোমা তৈরি করছে। র‌্যাবের সব ব্যাটালিয়নের মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দারা এই তথ্য পেয়েছেন। এ কারণে র‌্যাব অভিযানিক কর্মকা- আরো জোরদার করেছে। ইতোমধ্যে র‌্যাব শেরেবাংলানগর এলাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালের উত্তর পাশের একটি ভবন থেকে ১৭টি ককটেলসহ মানিক (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরো ৪৭টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ ককটেল দিয়ে তারা নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ
এদিকে সোমবার জামায়াতের হরতাল চলাকালে রাজধানীর মিরপুর, মালিবাগের চৌধুরীপাড়া, যাত্রাবাড়ী ও তেজগাঁও এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জসিম উদ্দিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে জানান, মণিপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শাখার ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।
প্রায় একই সময়ে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় শহীদি মসজিদের সামনে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রমনা থানার পুলিশ তিনটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। কাউকে আটক করা যায়নি।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তেজগাঁও এলাকা থেকে তিনটি পরিত্যক্ত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব সরকারের ভাষ্য, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় লাভরোড সড়কের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় তিনটি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে গোয়েন্দা পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে যায়। - See more at: http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=1001&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=7&archiev=yes&arch_date=04-11-2014#sthash.8AhO5YmV.dpuf
জামায়াত-শিবিরের লাগাতার হরতালে রাজধানীজুড়ে নাশকতা ও বোমাতঙ্ক বিরাজ করছে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, খোদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও এতে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব ও পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। রাজধানীজুড়ে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। ঢাকা মহানগর পুলিশ ও র‌্যাব সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান জানান, রোববার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে হরতাল সমর্থকরা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এতে রাস্তায় চলাচলরত সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নাশকতার প্রস্তুতিকালে এবং মিছিল থেকেও বেশ কিছু হরতাল সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা নাশকতামূলক ঘটনার পরিকল্পনার বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। নাশকতা প্রতিরোধে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া রাজধানীজুড়ে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি চালাতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতাদের রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে জামায়াত হরতালের ঘোষণা দেয়। হরতাল এখন লাগাতার হরতালে পরিণত হয়েছে। হরতালের সময়সীমা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাদের নাশকতামূলক তৎপরতা বেড়েছে। হরতালের প্রথম দিন রাজধানীতে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও এখন তা বাড়ছে। তারা রাজনৈতিক দলের নেতাদের বাসার সামনেও ককটেল হামলা চালাচ্ছে। গত কয়েক দিনে জামায়াত-শিবিরকর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এছাড়া যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে ব্যাপক নাশকতার পরিকল্পনার তথ্য পাওয়া গেছে। এই তথ্যের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার থেকে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কঠোর করা হয়েছে। নগরীর প্রতিটি রাস্তায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার ভোরের দিকে রাজধানী উত্তরার ৬ নাম্বার সেক্টর এলাকার একটি মেসে অভিযান চালিয়ে ১৫ জন শিবিরকর্মীকে আটক করে পুলিশ। ডিএমপি উত্তরা জোনের ডিসি ইকবাল হোসেন জানান, গ্রেপ্তারের পর তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তাদের নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা কাজ করে যাচ্ছিল। এ জন্য তারা কয়েকবার বৈঠক করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে গাফফার ও রহমান নামে দুজন শিবিরের 'সাথী' বলে জানায়। তাদের নেতৃত্বেই নাশকতামূলক হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। উত্তরার ৬ নাম্বার সেক্টরের ১২ নাম্বার রোডের শেষ মাথার বাড়িটিতে শিবিরকর্মীরা মেস বানিয়ে থাকতো। তাদের নাশকতার পরিকল্পনার বেশ কিছু তথ্য পুলিশ জানতে পেরেছে। নাশকতা চালাতে রাস্তায় নামার পর যেন ধরা না পড়ে সেই জন্য নেতারা বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছিল বলেও তারা জানায়।
সূত্র জানায়, রাজধানীর মগবাজার, মিরপুর, কমলাপুর, শাহজাহানপুর, ফকিরাপুল, খিলগাঁও, বাড্ডা, রামপুরা, পোস্তগোলা ও মোহাম্মদপুর এলাকায় শিবিরের বড় ঘাঁটি রয়েছে। তাই এসব এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জামায়াত ও শিবিরের এলাকাভিত্তিক নেতাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ইতিপূর্বে নাশকতার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেনকে গত মে মাসে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আরো বেশ কয়েকজন শিবির নেতাকে গ্রেপ্তারের পর রাজধানীতে চোরাগুপ্তা হামলা, বোমা বিস্ফোরণ, অগি্নসংযোগের মতো নাশকতামূলক ঘটনা হ্রাস পায়। এবারো তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত হরতাল চলাকালে রাজধানীতে নাশকতা চালানোর চেষ্টা করছে বলে র‌্যাবের গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। এজন্য তারা ককটেল, হাতবোমা, পেট্রলবোমা তৈরি করছে। র‌্যাবের সব ব্যাটালিয়নের মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দারা এই তথ্য পেয়েছেন। এ কারণে র‌্যাব অভিযানিক কর্মকা- আরো জোরদার করেছে। ইতোমধ্যে র‌্যাব শেরেবাংলানগর এলাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালের উত্তর পাশের একটি ভবন থেকে ১৭টি ককটেলসহ মানিক (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরো ৪৭টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ ককটেল দিয়ে তারা নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ
এদিকে সোমবার জামায়াতের হরতাল চলাকালে রাজধানীর মিরপুর, মালিবাগের চৌধুরীপাড়া, যাত্রাবাড়ী ও তেজগাঁও এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জসিম উদ্দিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে জানান, মণিপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শাখার ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।
প্রায় একই সময়ে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় শহীদি মসজিদের সামনে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রমনা থানার পুলিশ তিনটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। কাউকে আটক করা যায়নি।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তেজগাঁও এলাকা থেকে তিনটি পরিত্যক্ত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব সরকারের ভাষ্য, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় লাভরোড সড়কের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় তিনটি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে গোয়েন্দা পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে যায়। - See more at: http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=1001&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=7&archiev=yes&arch_date=04-11-2014#sthash.8AhO5YmV.dpuf

Back To Top